রাত পোহালেই মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। শিউলির গন্ধ, কাশফুলের দোলা আর ভোরের আকাশে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’—সব মিলিয়ে বাঙালির মনে বেজে উঠবে শারদীয়ার আগমনী সুর। দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউনে আর এক ধাপ এগিয়ে গোটা বাংলায় এখন উৎসবের আবহ।মহালয়া মানেই শুধুমাত্র একটি তিথি নয়, মহালয়া মানেই বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও শারদীয়ার সূচনার এক চিরন্তন অনুভূতি। ভোরের প্রথম আলো ফোটার আগেই রেডিও কিংবা টেলিভিশনে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শোনার অপেক্ষায় থাকেন অসংখ্য মানুষ। দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমনের বার্তা যেন নতুন করে প্রাণ পায় এই বিশেষ দিনে।
অন্যদিকে, মহালয়ার দিন বহু মানুষ তাঁদের পূর্বপুরুষদের স্মরণ করেন এবং প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তর্পণ করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস ও পারিবারিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে দিনটির গুরুত্ব বাঙালির জীবনে অপরিসীম।
এদিকে, দুর্গাপুজোকে ঘিরে বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তা, শিল্পী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে উৎসাহ। পুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। নতুন পোশাক, প্যান্ডেল, প্রতিমা আর উৎসবের পরিকল্পনায় ধীরে ধীরে জমে উঠছে শারদীয়ার পরিবেশ।মহালয়ার হাত ধরেই যেন বাঙালির মনে শুরু হয়ে যায় দুর্গোৎসবের প্রতীক্ষা। মায়ের আগমনে দূর হোক অশুভ শক্তি, প্রতিষ্ঠিত হোক শুভ ও সুন্দরের জয়—এই প্রার্থনাতেই মহালয়ার প্রাক্কালে অপেক্ষায় আপামর বাঙালি।
News All Times-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই মহালয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
6