ভোটে পরাজিত হলেই নির্বাচন কমিশন এবং EVM-কে কাঠগড়ায় তোলা বিরোধীদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে—এমনই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মানিক সাহার। সোমবার আগরতলার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের একাধিক অভিযোগের জবাব দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে, আইন মেনে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাজ করছে। কিন্তু নির্বাচনে হেরে গেলেই বিরোধীরা কখনও EVM, কখনও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে। জ্ঞানেশ কুমারের সময়কালেই কেরলে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেখানে বিরোধীরাও জয়ী হওয়ার নজির রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট হলে বিরোধীদের জয় সম্ভব হতো না। বিরোধীদের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগকেও সম্পূর্ণ মিথ্যে ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে হেরে গেলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিশানা করা বিরোধীদের রাজনৈতিক কৌশলে পরিণত হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলন থেকেই রাহুল গান্ধীকে নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ভিন্নমত থাকা প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, আর সেটিই সুস্থ গণতন্ত্রের পরিচয়। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে কোনও একনায়কতন্ত্র চলছে না বলেও দাবি করেন তিনি। এদিকে, ভিলেজ কমিটি ভোটকে কেন্দ্র করে গোমতী জেলার মহারানী ওয়াড়েংবাড়ি এলাকায় গুলি চালানোর ঘটনাতেও প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে SP ও DSP গিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগ এবং ভোটপর্বে হিংসার অভিযোগ—দুই ইস্যুতেই এদিন মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মানিক সাহা।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীরা অপপ্রচার চালাচ্ছে—এমনই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মানিক সাহার।
3
previous post